Higher Study in USA

B

Banglay IELTS

·3 min read
Higher Study in USA

রিমাইন্ডার ফর বিগিনার্সঃ

১. বেশিরভাগ ভার্সিটিতে টোয়েফল এর মিনিমাম স্কোর ৮০। IELTS এর মিনিমাম স্কোর ৬.৫। মনে রাখা উচিৎ, এগুলো মিনিমাম রিকুয়ার্মেন্ট। কম্পিটিটিভ ফান্ড পাওয়ার জন্য অবশ্যই যত বেশি সম্ভব স্কোর সিকিউর করা উচিৎ। বিশেষত: টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট শিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে ল্যাংগুয়েজ টেস্টের স্পিকিং এবং লিসেনিং স্কোর বড় প্রভাব রাখে। টোয়েফল / IELTS ছাড়া এপ্লাই করা যায় না।

২. জিআরই এর জন্য সাধারণত মিনিমাম কোনো স্কোর নেই। তবে অনেক ভার্সিটি আছে যারা মিনিমাম স্কোর অ্যাডমিশন রিকুয়ার্মেন্টে উল্লেখ করে দেয়। উদাহরণস্বরপ: কোয়ান্ট এ ৭৫ পার্সেন্টাইল।

৩. জিআরই ওয়েইভ করা ভার্সিটিতে অ্যাডমিশন পেলেও ভিসা পাওয়া যাবে না এটা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য।

৪. থিসিস, রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স, জব এক্সপেরিয়েন্স ছাড়াও বহু স্টুডেন্ট আছে যারা ফুল ফান্ডসহ গেছেন।

পাবলিকেশন, রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স আপনাকে অনেকখানি এগিয়ে রাখবে কিন্তু এসব ছাড়া যে ফান্ড পাওয়া যাবে না এমন কথা কোনো আইনে লেখা নেই।
পাবলিকেশন, রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স না থাকলে অন্ততপক্ষে সাবজেক্ট রিলেটেড প্রোগ্রামিং এর কাজ শিখে রাখুন। আজকাল বিভিন্ন অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্মে এসব কোর্স বিনামূল্যে করা যায়।
জিআরই ২৯০ এবং কোনো রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স ছাড়া স্টুডেন্টও ফুল ফান্ড নিয়ে গেছেন।

লো প্রোফাইল নিয়েও অ্যাডমিশন এবং ফান্ড সম্ভব, তবে পথটা যে খুব মসৃণ এমন নয়।লেগে থাকলে বছরখানেক পরে আপনিই গ্রুপে এসে পোস্ট দেবেন- আমার বলার মতো এমন কোনো প্রোফাইল ছিলো না তবুও অ্যাডমিশন পেয়েছি এবং আগামীকাল আমার ফ্লাইট।

৫. অনেক ভার্সিটি জিআরই ওয়েইভ করলেও ফান্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে জিআরই চায়। কাজেই, প্রোগ্রাম ওয়েবপেজের সব তথ্য ভালোভাবে পড়ে দেখবেন।

৬. হায়ার স্টাডির যাত্রায় গ্র্যাজুয়েট/ প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আপনার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। সেই ভার্সিটি রিলেটেড সবচেয়ে অথেন্টিক ইনফো তিনিই আপনাকে দিতে পারবেন। কাজেই, সেনসিটিভ ইনফো জনগণের কাছে জিজ্ঞেস না করে তাকেই জিজ্ঞেস করাটা বুদ্ধিমানের কাজ। প্রশ্ন করলে তিনি বিরক্ত হবেন না। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যই তাকে সেই পদে রাখা হয়েছে এবং তারা প্রফেশনাল।

৭. অনেক ভার্সিটিতে অ্যাপ্লিকেশন ফি ওয়েইভার প্রোগ্রাম আছে। যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখিয়ে অনুরোধ করলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা ফি ওয়েইভ করে। এমন সুযোগ আছে কিনা খোঁজ নিয়ে দেখুন। প্রায় ৪৫০০ টাকা (৫০ ডলার) বেঁচে যাবে।

৮. প্রফেসর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে বলবে আগে অ্যাপ্লাই করতে। অ্যাপ্লিকেশন ফি নেহাৎ কম নয়। তাই সেই প্রোগ্রামে বিগত বছরের টেস্ট স্কোর গুলোর কাট অফ, সেখানে আপনার রিসার্চ ইন্টারেস্ট কতটা ম্যাচ করে, গ্র্যাজুয়েট এমপ্লয়বিলিটি রেট, আবহাওয়া, এভারেজ মান্থলি এক্সপ্যান্স অ্যামাউন্ট, বিগত বছরের একসেপটেন্স ‌রেট ইত্যাদি ভালোভাবে বিবেচনা করে অ্যাপ্লাই করবেন। এসব তথ্য ইন্টারনেটে সার্চ করলেই পাবেন।

৯. লেকচারার, তিনি যদি সদ্য আপনার ডিপার্টমেন্টে জয়েন করে থাকেন এবং আপনি তার একটা কোর্স শেষ করেছেন – তাহলেও তিনি আপনাকে রিকমেন্ডেশন লেটার দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। প্রফেসর ছাড়া রিকমেন্ডেশন লেটারের দাম নেই- এটা সম্পূর্ণ ভুল। রিকমেন্ডারের পিএইচডি থাকতেই হবে এটাও সম্পূর্ণ ভুল।

১০. প্রত্যেক প্রোগ্রামের ওয়েবপেজে ডিগ্রি রিকোয়ারমেন্ট নামক ট্যাব থাকে। প্রোগ্রাম চলাকালে সেখানে আপনাকে কি কি কোর্স নিতে হবে, কোর্স নেওয়ার পলিসি ইত্যাদি সেখানে বর্ণনা করা থাকে। ভবিষ্যতে অহেতুক ঝামেলা এড়াতে এই পেজ ভালোভাবে পড়ে নেওয়া উচিৎ।

১১. ৯০ ভাগ আমেরিকান ভার্সিটিতেই অ্যাপ্লাই ন্যূনতম যোগ্যতা সিজিপিএ ৩.০০। কাজেই কেউ যদি বলে থাকে মিনিমাম ৩.৫০ ছাড়া আমেরিকায় যাওয়া যায় না তাহলে সেই কথা ঝেড়ে ফেলুন।

১২. সিজিপিএ ২.৫০- ২.৯৯ একসেপ্ট করে এমন অনেক ভার্সিটি আছে। সিজিপিএ কম থাকলে টেস্ট স্কোর, অন্যান্য ক্রেডেনশিয়াল ভালো করতে চেষ্টা করুন এবং লেগে থাকুন। এই গ্রুপে ২.৩৭ সিজিপিএ নিয়ে অ্যাডমিশন পাওয়ার রেকর্ড আছে।

১৩. এসওপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সময় নিয়ে এটি লিখুন এবং বারবার রিভাইজ দিন। সম্ভব হলে সিনিয়রদের দেখিয়ে মতামত নিন।

১৪. সাবজেক্ট রিলেটেড প্রোগ্রামিং শিখুন। এখন হয়তো এটার গুরুত্ব বুঝতে না পারলেও ভবিষ্যতে অবশ্যই বুঝবেন। কমন কিছু প্রোগ্রামিংঃ R, Python। সফটওয়্যারঃ SPSS, MATLAB।

১৫. গ্র্যাজুয়েট অ্যাডমিশনে স্টাডি গ্যাপ কোনো সমস্যা নয়।

Comments

0

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment